সামনেই শীত আসতে যাচ্ছে। এর আগে নিজের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে হবে, লাগবে খাদ্যের যোগানও। এজন্যই মাঠে নেমে পড়েছে এই কাঠঠোকরা। প্রথমেই সে মৃত গাছের গুঁড়ি খুঁজে বের করেছে। এরপর সেখানে ছোট ছোট গর্ত করছে, যেন রাখতে পারে এইকর্ন ফল (ওক গাছের ফল)। এই গর্তগুলোও ইচ্ছামতো হওয়া যাবে না, বরং বেশ হিসাবনিকাশ করে একেবারে মাপমতোই হওয়া চাই। গর্তের সাইজ বড় হলে ফলগুলো সেখানে ঠিকমতো আটকে থাকবে না। ফলে অন্য পাখি এসে খুব সহজেই তার খাবার চুরি করে নিতে পারবে। আবার গর্ত যদি ছোট হয়, তাহলে তো ফলই সেখানে রাখা যাবে না, বেশি চাপাচাপি করতে গিয়ে ভেঙেও যেতে পারে।
এভাবে একটি বড়সড় গাছের গুঁড়িতে ৫০,০০০ পর্যন্ত এইকর্ন রাখা যেতে পারে। এর মধ্য দিয়েই নিরাপদ, নিশ্চিন্ত এক শীতের ব্যবস্থা করে কাঠঠোকরা। কাঠঠোকরাও যেন আমাদের এই শিক্ষাই দিচ্ছে- সময় থাকতেই আমরা যেন সচেতন হই, সুদিনে দুর্দিনের কথা ভেবে যেন সঞ্চয় করে রাখি, কেবলমাত্র তাহলেই টিকে থেকে রাইজ এন্ড শাইনের রাস্তাটা সুগম হবে।